Rayerkathi Jomidar Bari

Rayerkathi Jomidar Bari

(রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি)

পিরোজপুর সদর থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে অবস্থিত প্রায় ৩৫০ বছরের প্রাচীন ‘রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি’, যেখানে রয়েছে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ শিবলিঙ্গ এবং ঐতিহাসিক রাজভবনের ধ্বংসাবশেষ।

Pirojpur Sadar, PirojpurBest time: Year-roundIdeal for: Historical exploration, religious tourism, archaeology, and photography

Explore the places

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি পিরোজপুর জেলার অন্যতম একটি ঐতিহাসিক ও প্রাচীন স্থাপনা। ১৬৫৮ সালে রাজা রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে এই রাজবাড়ি এবং সংলগ্ন মন্দির নির্মাণ করেন। এক সময় এখানে রাজভবন, অতিথিশালা, নাট্যশালাসহ প্রায় দুইশত অট্টালিকা ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ৭টি প্রাচীন ভবন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো কালিমন্দিরে স্থাপিত প্রায় ২৫ মণ ওজনের বিশালাকার শিবলিঙ্গ, যা উপমহাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শিবলিঙ্গ হিসেবে পরিচিত। মুঘল সম্রাট কর্তৃক রাজা উপাধিপ্রাপ্ত শ্রীনাথ রায়ের বংশধরদের এই বিশাল সাম্রাজ্য এখন এক অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

জমিদার বাড়িটি সারা বছরই ঘুরে দেখা যায়। তবে বিভিন্ন পূজা বা উৎসবের সময় মন্দির প্রাঙ্গণে বিশেষ সমাগম হয়, যা পর্যটকদের জন্য আলাদা আকর্ষণ হতে পারে।

গন্তব্যে পৌঁছানোর উপায়

ঢাকা থেকে বাস বা লঞ্চে পিরোজপুর আসা যায়। সদরঘাট থেকে লঞ্চে বা গাবতলী/সায়েদাবাদ থেকে বাসে পিরোজপুর শহরে পৌঁছে রিকশা বা অটোরিকশায় মাত্র ১০-১৫ মিনিটে ৩ কিলোমিটার দূরের রায়েরকাঠী জমিদার বাড়িতে পৌঁছানো সম্ভব।

কী করবেন / কী দেখবেন

প্রাচীন রাজভবন ও ধ্বংসাবশেষ দেখা, উপমহাদেশের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ সংবলিত মন্দির দর্শন, প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী পর্যবেক্ষণ এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ফটোগ্রাফি করা।

Highlights

পর্যটকদের আকর্ষণের কারণ

  • প্রায় ৩৫০ বছরের প্রাচীন রাজবাড়ী ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য
  • উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ২৫ মণ ওজনের বিশাল শিবলিঙ্গ
  • মুঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী রাজভবন ও নাট্যশালার ধ্বংসাবশেষ
  • পিরোজপুর শহর থেকে খুব কাছে এবং চমৎকার যাতায়াত ব্যবস্থা
  • ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ এক পর্যটন কেন্দ্র