Kirtipasha Zamindar Bari

Kirtipasha Zamindar Bari

(কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি)

ঝালকাঠি জেলা সদর থেকে ৫ কিমি দূরে অবস্থিত শতবর্ষী ‘কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি’, যা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে ধ্বংসাবশেষ আর জরাজীর্ণ মন্দিরের মাঝে।

Kirtipasha, JhalokathiBest time: Year-roundIdeal for: Historical exploration, photography, archaeology enthusiasts, and day trips

Explore the places

কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি

ঝালকাঠির কীর্তিপাশা ইউনিয়নে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক জমিদার বাড়িটি প্রায় ১০০ বছর আগে বিক্রমপুরের জমিদার বংশের রাজা রাম সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি তাঁর দুই ছেলের জন্য আলাদা দুটি বাড়ি নির্মাণ করেন, যা ১০ আনা (বড় হিস্যা) ও ৬ আনা (ছোট হিস্যা) নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে ছোট হিস্যাটি ধ্বংস হয়ে গেলেও বড় হিস্যা বা মূল জমিদার বাড়ির কিছু অংশ টিকে আছে। এই বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, নাট মন্দির, হল ঘর এবং দুর্গা মন্দির পর্যটকদের ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

জমিদার বাড়িটি সারা বছরই ঘুরে দেখা যায়। তবে বর্ষাকালের পরে প্রকৃতি সতেজ থাকলে এবং শীতকালে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকায় ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো সময়।

গন্তব্যে পৌঁছানোর উপায়

ঢাকা থেকে বাস বা লঞ্চে ঝালকাঠি পৌঁছাতে হবে। সদরঘাট থেকে সুন্দরবন বা ফারহান লঞ্চে ঝালকাঠি যাওয়া যায়। ঝালকাঠি জেলা শহর থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় মাত্র ১০-২০ মিনিটে কীর্তিপাশা বাজারে পৌঁছানো যায়, সেখান থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বেই জমিদার বাড়ি।

কী করবেন / কী দেখবেন

জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ দেখা, প্রাচীন নাটমঞ্চ ও দুর্গামন্দির পর্যবেক্ষণ, ইতিহাস সম্পর্কে জানা এবং পুরোনো স্থাপত্যের মাঝে ফটোগ্রাফি করা।

Highlights

পর্যটকদের আকর্ষণের কারণ

  • শতবর্ষী প্রাচীন স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের নিদর্শন
  • ১০ আনা ও ৬ আনা হিস্যা জমিদার পরিবারের ইতিহাস
  • ঐতিহাসিক নাট মন্দির ও কারুকার্যখচিত প্রাচীন মন্দির
  • ঝালকাঠি শহর থেকে খুব কাছে ও সহজে যাতায়াতযোগ্য
  • ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য একটি চমৎকার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান