ইটনা হাওর
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর উপজেলা গুলোর মধ্যে ইটনা অন্যতম। সারা বছরই এখানে পানি থাকলেও বর্ষাকালে এটি এক অপূর্ব রূপ ধারণ করে। চারদিকে বিস্তীর্ণ পানির সমুদ্র, মাঝে মাঝে সবুজ গাছপালা বা দ্বীপের মতো বসতবাড়ি—এই দৃশ্য ইটনাকে করে তোলে অনন্য। এখানকার মানুষের প্রধান যাতায়াত মাধ্যম নৌকা, যা এই এলাকার জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) ইটনা ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময়ে হাওর পূর্ণ পানিতে ভরে যায় এবং প্রকৃতির আসল সৌন্দর্য দেখা যায়। তবে পানি কমার সময় গেলে হাওরের মাঝ দিয়ে রাস্তার দৃশ্যও উপভোগ করা যায়।
গন্তব্যে পৌঁছানোর উপায়
ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে কিশোরগঞ্জ যেতে হবে। ট্রেনে কমলাপুর বা বিমানবন্দর স্টেশন থেকে এগারোসিন্ধুর ট্রেনে সকাল ৭:১৫ এ রওনা দিয়ে দুপুরের মধ্যে পৌঁছানো যায়। বাসে মহাখালী বা গোলাপবাগ থেকে অনন্যা পরিবহনে ৩-৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর মোড় থেকে সিএনজি বা মহেন্দ্রতে চড়ে চামটা ঘাট যেতে হবে, সেখান থেকে ট্রলারে প্রায় ২ ঘণ্টায় ইটনা পৌঁছানো যায়।
কী করবেন / কী দেখবেন
নৌকা ভাড়া করে হাওর ঘোরা, মাছ ধরার দৃশ্য দেখা, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা, হাওরের জলে সাঁতার কাটা এবং সূর্যাস্ত উপভোগ করা—সবই ইটনার প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া শনির হাওর ও ধনপুর হাওর ঘুরে দেখা যায়।
