Guliakhali Sea Beach

Guliakhali Sea Beach

(গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত)

সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সবুজ ঘাসে ঢাকা চর, কেওড়া বন, জোয়ারের আঁকাবাঁকা খাল আর নিরিবিলি উপকূলীয় সৌন্দর্যের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম অনন্য সমুদ্র গন্তব্য।

Chattogram, BangladeshBest time: November to FebruaryIdeal for: Mangrove landscapes, sunset walks, photography, and coastal day trips

Explore the places

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত, স্থানীয়ভাবে মুরাদপুর বীচ নামেও পরিচিত, দেশের অন্য সৈকতগুলোর চেয়ে আলাদা প্রকৃতির জন্য বিখ্যাত। বিস্তীর্ণ সবুজ ঘাস, ম্যানগ্রোভ-সদৃশ কেওড়া বন, জোয়ারে ভরে ওঠা ছোট ছোট খাল এবং শান্ত সমুদ্রতট মিলে এখানে এক অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ গড়ে উঠেছে। প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ড বাজার থেকে সহজে পৌঁছানো যায় এবং এটি তুলনামূলক নিরিবিলি প্রকৃতি ভ্রমণের জন্য জনপ্রিয়।

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি গুলিয়াখালী ভ্রমণের সবচেয়ে আরামদায়ক সময়। শীতকালে আবহাওয়া মনোরম থাকে এবং সৈকতের সবুজ প্রান্তর উপভোগের জন্য উপযুক্ত। বর্ষা ও জোয়ারের সময় খালগুলো পানিতে ভরে গিয়ে ভিন্ন সৌন্দর্য তৈরি করে। জোয়ার-ভাটার সময় জেনে গেলে ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।

গন্তব্যে পৌঁছানোর উপায়

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বাস বা ট্রেনে সীতাকুণ্ড এসে সেখান থেকে অটো বা সিএনজিতে গুলিয়াখালী সৈকতে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম শহর থেকেও সড়কপথে সহজে পৌঁছানো সম্ভব। সীতাকুণ্ডের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান যেমন চন্দ্রনাথ, মহামায়া লেক বা বাঁশবাড়িয়া সৈকতের সঙ্গে কম্বো ট্রিপ করা যায়।

কী করবেন / কী দেখবেন

সবুজ ঘাসের চর ধরে হাঁটা, কেওড়া বনের পাশের খাল দেখা, সূর্যাস্ত উপভোগ, ফটোগ্রাফি, জোয়ার-ভাটার পরিবর্তন দেখা এবং নিরিবিলি প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো এখানে প্রধান আকর্ষণ। চাইলে স্থানীয় নৌকায় ছোট বোট রাইডও করা যায়।

Highlights

পর্যটকদের আকর্ষণের কারণ

  • সবুজ ঘাসে ঢাকা অনন্য উপকূলীয় প্রান্তর
  • কেওড়া বন ও ম্যানগ্রোভ-সদৃশ প্রাকৃতিক পরিবেশ
  • জোয়ারে পানিভরা আঁকাবাঁকা খাল সৈকতের বিশেষ আকর্ষণ
  • সূর্যাস্ত ও ফটোগ্রাফির জনপ্রিয় গন্তব্য
  • সীতাকুণ্ড কম্বো ডে-ট্রিপের জন্য আদর্শ