আনন্দ বিহার
কুমিল্লার ময়নামতি প্রত্ন অঞ্চলে অবস্থিত আনন্দ বিহার (স্থানীয়ভাবে আনন্দ রাজার বাড়ি) ৭ম–৮ম শতকে দেব রাজবংশের শাসক আনন্দদেবের আমলে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়। এটি ময়নামতির সবচেয়ে বড় প্রত্নস্থলগুলোর একটি এবং প্রায় ১৯৮ মিটার বর্গাকার বিশাল মহাবিহার হিসেবে পরিচিত। এখানে ১১৫টি ভিক্ষুকক্ষ, কেন্দ্রীয় মন্দির, বৃহৎ দীঘি এবং টেরাকোটা, মুদ্রা, ব্রোঞ্জ মূর্তি ও তাম্রলিপিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে। :contentReference[oaicite:0]{index=0}
ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
অক্টোবর থেকে মার্চ আনন্দ বিহার ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। শীতকালে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকে এবং প্রত্নস্থল ঘুরে দেখার জন্য ভালো পরিবেশ পাওয়া যায়।
গন্তব্যে পৌঁছানোর উপায়
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে কুমিল্লা এসে কোটবাড়ি হয়ে স্থানীয় পরিবহনে আনন্দ বিহারে পৌঁছানো যায়। এটি শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরের কাছাকাছি হওয়ায় একসাথে কম্বো ট্রিপ করা যায়।
কী করবেন / কী দেখবেন
আনন্দ বিহারের ধ্বংসাবশেষ ঘোরা, কেন্দ্রীয় মন্দির দেখা, আনন্দ রাজার দীঘি দেখা, ময়নামতি জাদুঘর ও শালবন বিহারসহ আশেপাশের প্রত্নস্থল এক্সপ্লোর করা এখানে প্রধান আকর্ষণ।
